top of page

চেতনার জাগরণ? নাকি সমালোচনার জবাব? (শাস্ত্রী জীর কি শাস্তি হওয়া উচিত— তা পরম নিরপেক্ষ শ্রীমন্নিত্যানন্দ বলরামই বিচার করবেন।) পর্ব্ব– ২

  • chetanarjagaran2
  • Apr 27, 2025
  • 5 min read


(পর্ব্ব– ২, পূর্ব্ব প্রকাশের পর প্রকাশিত হল)


এষা বুদ্ধিমতাং বুদ্ধির্মনীষা চ মনীষিণাম্।

যৎসত্যমনৃতেনেহ মর্ত্যেনাপ্নোতি মামৃতম্ ॥ (ভাঃ ১১|২৯|২২)


অনুবাদ : এই অসত্য মর্ত্ত্য-দেহদ্বারা ইহজন্মেই যদি সত্য ও অমৃতস্বরূপ আমাকে প্রাপ্ত হইতে পারেন, তাহা হইলে তাহাই বুদ্ধিমদ ব্যক্তিগণের যথার্থ-বুদ্ধি এবং মনীষি-গণের মনীষারূপে গণ্য হইয়া থাকে ।


গৌড়ীয় গোষ্ঠীপতি শ্রীশ্রীল ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী ঠাকুর প্রভুপাদ পরমহংস জগৎগুরু জানিয়েছেন যে,— “পরম সত্য জানতে পাওয়ার সুযোগ উপস্থিত হলেই, সঙ্গে সঙ্গে তৎপ্রতি প্রবল আগ্রহবিশিষ্ট তথা পরম উৎসাহবিশিষ্ট হওয়া উচিত, এক বিন্দুমাত্র সময়ও অপচয় করা উচিত না।”— কারণ এতে অমূল্য জীবন ব্যর্থ হয়ে যাবে। চিকিৎসার দ্বারা রোগমুক্তি হতে পারে, কিন্তু আদৌ রোগ ব্যাধি থেকে দূরে থাকার প্রতিষেধক ব্যবস্থা নেওয়াই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়, নয় কি? 


ঐ প্রতিকারবার্ত্তা ‘ক্রমশঃ প্রকাশ্য’ বলে ঘোষণা করা হলেও, তথাপি আপনার ধৈর্য্যচ্যুতি ও অসন্তোষ (ক্রোধ) দেখে আমরা শ্রীগৌড়ীয় মঠের পক্ষ থেকে বড়ই আশ্চর্য্য হতে বাধ্য হয়েছি, কারণ যে দুইজন মহাত্মার প্রসঙ্গে আপনি যে ঐরূপ ঘৃণ্য মন্তব্য রেখেছেন, যথা— ‘কেবল বাক্ আড়ম্বর মাত্র’,— এটাই মায়াদেবীর প্রসাদ, এছাড়া আপনাদের কাছে আমরা আর কি আশা করতে পারে! প্রত্যেক জীব হৃদয়ে যদি পরমাত্মা রূপে ভগবান বিরাজমান থাকেন, তবে নিশ্চয়ই আপনার হৃদয়েও বিরাজমান থেকে তিনি অবশ্যই জানিয়ে দিয়েছেন যে— এই দুইজন মহাত্মা কদাপি কারোর শত্রু হতে পারে না। সমগ্র বিশ্বের কোন প্রান্ত থেকে কেউ কখনই‌ কদাপি ঐরূপ ঘৃণা মন্তব্য তাঁদের সম্বন্ধে করেননি বা করতে সাহস করেন না, কারণ তাঁদের অভূতপূর্ব্ব বাণী সেবার অবদান কেউই অস্বীকার করতে পারেন না। ‘কেবল বাক্ আড়ম্বর মাত্র’ অর্থে তারা আচার-আদর্শহীন অর্থাৎ ছলধর্ম্মে নিয়োজিত বলেই আপনি ঘোষণা করে দিলেন (এ সম্বন্ধে কি আপনি আপনার শিক্ষক মহাশয়– শ্রীধর মহারাজের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন, যিনি এনাদের গৌড়ীয় মঠের বিভূতি বলে দাবি করেন?), এতে তাঁদের কিবা ক্ষতি হতে পারে বলে আপনি মনে করেন ? লাভ- পূজা- প্রতিষ্ঠা (অর্থাৎ কামিনী-কাঞ্চনাদি) তাঁরা মল-মূত্র সদৃশ জ্ঞান করেন বলেই এত বড় অকৈতব সত্য কথা বলতে পারেন। শ্রীল প্রভুপাদ বহুবার জানিয়েছেন যে,— সম্পূর্ণ লাভ-পূজা-প্রতিষ্ঠার গন্ধ পর্য্যন্তও বিগত না হলে কেউই কদাপি তৃণাদপিসুনীচ ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। 

ঐ সকল মহাতেজিয়ান শুদ্ধ গুরু-বৈষ্ণবের অসীম বীর্য্যবতী অকাট্য সিদ্ধান্ত বিচারের বাণীগুলো নিয়ে আপনি যেরূপ বিদ্রূপ বা তামাশা করতে সাহসী হয়েছেন— তা’তেই আপনার অগাধ পাণ্ডিত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। জহুরী– জহর চিনে, বিদ্বান- বিদ্বান কে চিনে, বেশ্যা- বেশ্যাকেই চিনে যায়। 

শ্রীগৌড়ীয় মঠের কাষায়-বস্ত্র পরিধান প্রসঙ্গ অথবা যজ্ঞোপবীত সংস্কার প্রসঙ্গ, কিংবা সন্ন্যাস গ্রহণের প্রসঙ্গ তথা মন্ত্র গুরু পরম্পরা ও ভাগবত গুরু পরম্পরা, ইত্যাদি সকল প্রসঙ্গেরই যথাযথ সুবিজ্ঞানভিত্তিক উত্তর এতকাল ধরে দেওয়া হয়েছিল, হচ্ছে ও হবে, কিন্তু একজনও বাস্তবিক অনুভব করবার ব্যক্তি কই! ঐ  সকল প্রশ্নের উত্তর পেতে ক্রমে ক্রমে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ইংরেজি লেখাগুলোর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেল, যেগুলো নিম্নোক্ত নামে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে— 

‘In search of The Absolute Truth which is only available in Śrī Gauḍīya Matha (The Thunderbolt launched to crush down those anti Gauḍīya Matha mission & their baseless allegations against The Prabhupāda & Śrī Gauḍīya Matha).’ 

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত আমাদের অজস্র লেখনীগুলো আপনাদের অজস্র প্রশ্নবাণের যথাযথ বিজ্ঞানভিত্তিক উত্তর দিতে সমর্থ, যদিও আপনারা মানতে পারেন আবার নাও মানতে পারেন, কিন্তু তাতে আমরা পরম সত্যের বিকার হতে দেব না। 

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধব প্রতি উপদেশে বলেন যে,—


বাধ্যমানোহপি মদ্ভক্তো বিষয়ৈরজিতেন্দ্রিয়ঃ।

প্রায়ঃ প্রগল্ভয়া ভক্ত্যা বিষয়ৈর্নাভিভূয়তে॥ (ভাঃ ১১|১৪|২৮)


হে উদ্ধব! আমার অজিতেন্দ্রিয় ভক্ত বিষয় দ্বারা আকৃষ্ট হলেও ভক্তি সামর্থ হেতু প্রায়শঃ তা’তে অভিভূত হয় না। এক্ষেত্রে বিশেষ দ্রষ্টব্য বিষয় এই যে,— কিভাবে শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদের টিকার অবৈধ সুযোগ নিয়ে প্রাকৃত সহজীয়াগণ বস্তাপচা-সস্তা-বিচারের সাহায্যে কতদূর অবৈধ ক্রিয়া-কলাপের সমর্থন করিয়ে নিয়ে থাকেন– তা (দেখা যাক) বিচার্য্য— 

শ্রীমদ্ভাগবত ১|২|১৮-২০ শ্লোকে দৃষ্ট হয় যে,— 


শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পুণ্যশ্রবণকীর্ত্তনঃ।

হৃদ্যন্তঃস্থো হ্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্॥

নষ্টপ্রায়েম্বভদ্রেষু নিত্যং ভাগবতসেবয়া।

ভগবত্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী॥

তদা রজস্তমোভাবাঃ কামলোভাদয়শ্চ যে।

চেত এতৈরনাবিদ্ধং স্থিতং সত্ত্বে প্রসীদতি॥


নিত্য ভাগবত সেবা দ্বারা (ভক্ত ভাগবত ও গ্রন্থ ভাগবত) অমঁঙ্গল সমূহ বিনষ্ট হলে পুন্যশ্লোক ভগবান শ্রীকৃষ্ণে নৈষ্টিকী (নিশ্চলা) ভক্তির উদয় হয়। তখন রজোগুণ ও তামোগুণ থেকে উৎপন্ন কাম, ক্রোধ, লোভাদি ঘৃণ্য ভাব সমূহ চিত্ত অধিকার করতে পারে না— অর্থাৎ চিত্ত সত্ত্বগুণে স্থিত হয়ে প্রসন্নতা লাভ করে।এই প্রকারে মানবের চিত্ত প্রসন্ন হলে পরে, যখন ভোগ বাসনা বিদূরিত হয়, তখন ভগবানের প্রতি ভক্তিযোগ বশতঃ তাঁর হৃদয়ে ভগবত্তত্ত্ব বিজ্ঞান পরিস্ফুরিত হয়॥— ইত্যাদি শ্রীমদ্ভাগবতের বিচার গুলো সম্মুখে রাখলে মনে হয় যেন– শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদ ঠিক উল্টো বিচার দেখিয়েছেন তাঁর টীকায়। কিন্তু আদৌ তা নয়। তিনি কখনই উল্টো বিচার দেন নাই, যার— যত খুশি কামের জঞ্জাল হৃদয়ে থাকুক না কেন ইচ্ছামত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিগূঢ় রহস্যময় রাসলীলা শ্রবণ-কীর্ত্তন করতে থাকো অর্থাৎ অনধিকার চর্চ্চা চালিয়ে যাও। 

বরং এক্ষেত্রে ‘নষ্ট প্রায়েষু অভদ্রেষু’ অর্থাৎ বিগত প্রায় অনর্থ শেষযুক্ত ভক্তগণ সম্বন্ধেই তিঁনি ঐ বিচার দেখিয়েছেন, কিন্তু অপদার্থ প্রাকৃত সহজীয়াগণ– ‘উল্টো বুঝলিরাম’ হয়ে গিয়ে ভয়ঙ্কর ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে নানা অনর্থময় জঞ্জাল, যথা— অযথা কপট গোপীভাব, মঞ্জরীভাব, সিদ্ধপ্রণালী, ইত্যাদি সৃষ্টি করে গৌড়ীয় ভজন তথা শ্রীরূপানুগ ভজনকে যে– কতদূর কলুষিত করে চলেছেন তা– স্বপ্নেও ভাবা যায় না। শ্রীমদ্ভাগবতে রাসলীলা পঞ্চাধ্যায় থেকে ভাঃ ১০|৩৩|৩৯ সংখ্যায় যে,—


বিক্রীড়িতং ব্রজবধূভিরিদঞ্চ বিষ্ণোঃ

শ্রদ্ধাম্বিতোহনুশৃণুয়াদথ বর্ণয়েদ্যঃ। 

ভক্তিং পরাং ভগবতি প্রতিলভ্য কামং

হৃদ্রোগমাশ্বপহিনোত্যচিরেণ ধীরঃ ॥


এই শ্লোকে আপাতদৃষ্টিতে যা দৃষ্ট হয় তা কিন্তু বিজ্ঞানভিত্তিক অন্বয় বিচারে শ্রীগৌড়ীয় মঠ নিম্নরূপে উপস্থাপনা করেছেন (শ্রীল প্রভুপাদ কৃত ‘গৌরকিশোরান্বয়’ — সাধারণ-স্বরূপে),যথা—


অন্বয়ঃ- (ভাগবতঃ কামবিজয়রূপ রাসস্ক্রীড়াশ্রবণাদেঃ কামবিজয়মেব ফলমাহ) ব্রজবধূভিঃ (সাকং) ইদং (অন্যৎ) চ বিষ্ণোঃ (শ্রীকৃষ্ণস্য) বিক্রীড়িতং শ্রদ্ধান্বিতঃ যঃ (পুমান্) অণুশৃণুয়াৎ (অনু অনুক্ষণমেব শৃণুয়াৎ শ্রবণং কুর্য্যাৎ) অথবা বর্ণয়েৎ (শ্রাবয়েৎ সঃ তস্মিন্) ভগবতি পরাম্ (উৎকৃষ্টাং) ভক্তিং প্রতিলভ্য (প্রাপ্য) অচিরেণ (জীবদ্দশায়ামেব) ধীরঃ (জিতেন্দ্রিয়ঃ সন্) হহৃদ্রোগং (কামং) আশু অপহিনোতি (পরিত্যজতি) ৷৷ ইতি শ্রীমদ্ভাগবতে দশমস্কন্ধে এয়স্ত্রিংশাধ্যায়স্যান্বয়ঃ।


শ্রীল প্রভুপাদ কৃত গম্ভীর অন্তর্নিহিত ব্যাখ্যা– শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতে উদ্ধৃত ঐ শ্লোকের ‘অনুভাষ্যে’ তিনি জানিয়েছেন যে,—


যঃ পুমান্ শ্রদ্ধান্বিতঃ (শ্রদ্ধয়া অপ্রাকৃত সুদৃঢ় বিশ্বাসেন যুক্তঃ সেবোন্মুখঃ সন্) ব্রজবধূভিঃ সহ) বিষ্ণোঃ (নন্দনন্দনস্য পরমস্য বিভোঃ) ইদং (পূর্ব্বোক্তরাসপঞ্চাধ্যায়োক্তং) চা বিক্রীড়িতং (রাসাখ্যাং বিশিষ্টাং ক্রীড়াং) অনুশৃনুয়াৎ (কোন নিরন্তরং গুরুমুখাৎ প্রাকৃতব্যবধানরহিত্যেন শৃনুয়াৎ) অথ (অনন্তরং) বর্ণয়েৎ (রূপানুগ ক্রমপথা কৃষ্ণ-নাম-রূপ-গুণ-লীলাদিকং সঙ্কীর্ত্তনং কুর্য্যাৎ সঃ) 

ধীরঃ (ষড়বেগজয়ী অচঞ্চল রাগানুগঃ (গোস্বামী) আছিরেন ভগবতি (কৃষ্ণে) পরাং ভক্তিম্ (উৎকৃষ্টাং প্রেমভক্তিং) প্রতিলভ্য (প্রাপ্য) হৃদ্রোগং (মনোভ কামরূপাধিম্) আশু (শীঘ্রম) অপহিনোতি (দূরীকরোতি)। 


ঐ শ্লোক সম্বন্ধে শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতে অন্ত্যলীলার পঞ্চম পরিচ্ছেদ– ৪৯-৫০তম প্রয়ারে শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর স্বয়ং উক্তি শ্রীল কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী জানিয়েছেন, —

“যে শুনে, যে পড়ে, তাঁর ফল এতাদৃশী।

সেই ভাবাবিষ্ট, যেই সেবে অহর্নিশি॥

তাঁর ফল কি কহিমু, কহনে না যায়। 

নিত্যসিদ্ধ সেই, প্রায় সিদ্ধ তাঁর কায়॥”— এই প্রয়ারের নিগূঢ় অর্থ বিচারে শ্রীগৌড়ীয় মঠের দ্বারা প্রকাশিত অর্থ নিম্নে দেওয়া গেল—


যিনি শ্রীকৃষ্ণর অপ্রাকৃত রাসাদি বিলাস শ্রবণ ও কীর্ত্তন করেন এবং শ্রীরূপের অপ্রাকৃত (রাসাদি বিলাস শ্রবণ ও কীর্ত্তন) ভাবানুসারে সর্ব্বক্ষণই শুদ্ধ অকৃত্রিম রাগাবিষ্ট হয়ে মানসে কৃষ্ণসেবা করেন, তাঁর অপূর্ব্ব ফলপ্রাপ্তি প্রাকৃত ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব নয় (অবর্ণনীয়), যিঁনি নিত্যসিদ্ধ পার্ষদ, অথবা তাঁর সিদ্ধপ্রায় শরীর লোক লোচনের দৃশ্য হলেও স্বরূপ-সিদ্ধিক্রমে কৃষ্ণ সেবনপর ভাবসমূহের অধিষ্ঠান হেতু অপ্রাকৃত চেষ্টা বিশিষ্ট। কৃষ্ণেচ্ছায় বস্তুসিদ্ধির অপেক্ষায় তাঁর শরীর সিদ্ধপ্রায় ও অপ্রাকৃত। 

  সামর্থ্যহীন অনধিকারী ব্যক্তি কখনও মনের দ্বারা এইরূপ অপ্রাকৃত লীলা আচরণ যেন না করেন। রুদ্র-ভিন্ন অপর কেউই সমুদ্রমন্থনজাত বিষ (কালকূট) ভক্ষণ করলে যেমন বিনাশ প্রাপ্ত হন, ঠিক তেমন কেউ মূঢ়তাবশতঃ তা আচরণ করলে তিনিও বিনষ্ট হন॥ শ্রীল প্রভুপাদ জানিয়েছেন যে,— শ্রীকৃষ্ণ সেবা অপ্রাকৃত দেহ-মনের কার্য্য, প্রাকৃত দেহ-মনের প্রবেশ এতে আদৌ সম্ভব নয়।


পরমহংস আচার্য্যবর্য্য শ্রীশ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহাশয়
পরমহংস আচার্য্যবর্য্য শ্রীশ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহাশয়

যেক্ষেত্রে সর্ব্বসুহৃদ-অকিঞ্চনপ্রাণ-দীনহীন-আজাতশত্রু-

পরমহংস আচার্য্যবর্য্য শ্রীশ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজী মহাশয় পর্য্যন্ত আপনাদের ঘৃণ্য কটাক্ষ বা সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পান নাই, সেক্ষেত্রে আপনাদের মত মহানবৈষ্ণবগণের হাতে শ্রীগৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের দ্বারা সুরক্ষিত তথা শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর প্রদর্শিত ‘মূল ভক্তিবিনোদ-ধারার’ ‘মূল উৎপাটনে’ সংকল্পবদ্ধ হয়েও কিভাবে বড়ই নির্লজ্জ্বের মত নিজেদেরকে কিভাবে বারবার প্রতিবার মূল-মূল-মূল বলে চিৎকার করে যাচ্ছেন? কাদেরইবা প্ররোচনায় আপনি ভজন জীবনের প্রারম্ভেই, নিজ ভজনের সর্ব্বনাশ ডেকে আনলেন?   (ক্রমশঃ প্রকাশ্য)


গৌর হরি হরিবোল!   



 
 
 

Comments


WhatsApp Image 2025-04-24 at 09.04_edite
  • Instagram
  • Facebook
  • Youtube
  • Whatsapp
  • Telegram
  • Dribbble
  • TikTok
WhatsApp Image 2025-04-24 at 09.05_edite

@২০২৪ চেতনার জাগরণ - এর দ্বারা

bottom of page